+8801711-289121
Mirpur D.O.H.S, Dhaka

Hajj Faqs

প্রশ্ন: মেয়েরা কি একাকী হজ্জে যেতে পারবে?

উঃ- না। মেয়েলোক হলে তার সাথে পিতা, স্বামী, ভাই, ছেলে বা অন্য মাহরাম পুরুষ থাকতে হবে। দুলাভাই, দেবর, চাচাতো-মামাতো-খালাতো-ফুফাতো ভাই তথা গায়রে মাহরাম হলে চলবে না।

প্রশ্ন: আমরা জানি যে, শিশুদের উপর হজ্জ ফরজ নয়। কিন্তু তারা হজ্জ করলে তা কি শুদ্ধ হবে?

হাঁ। শুদ্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু সাওয়াব পাবে শিশুর মাতা-পিতা। তবে বালেগ হওয়ার পর যদি পূর্বে বর্ণিত চারটি শর্ত (প্রশ্ন নং-১০) পূরণ হয় তবে তাকে আবার ফরজ হজ্জ আদায় করতে হবে।

প্রশ্ন: যে কেউ কি বদলী হজ্জ করতে পারবে?

উঃ- না। যে ব্যক্তি কারোর বদলী হজ্জে যাবে তার নিজের হজ্জ আগে করে নিতে হবে। (আবূ দাঊদ, ইবনে মাজাহ)

প্রশ্ন : বদলী হজ্জ হলে কোনটি উত্তম-তামাত্তু, কিরান, নাকি ইফ্‌রাদ?

উঃ- যিনি বদলী হজ্জ করাবেন তাঁর পক্ষ থেকে কোন শর্ত না থাকলে যেকোনটি করা যায়।

প্রশ্ন: হজ্জ শেষে কেউ কেউ বেশী বেশী উমরা করে। এর বিধান কি?

উঃ- হজ্জ শেষে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কিরাম নিজ মাতা-পিতা ও আপনজনদের জন্য কোন উমরা করেননি। অতএব নবীজির সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুসরণই আমাদের কর্তব্য।

সাঈ কি?

উঃ- সাঈ অর্থ দৌড়ানো। কাবার অতি নিকটেই দু’টো ছোট্ট পাহাড় আছে যার একটি ‘সাফা’ ও অপরটির নাম ‘মারওয়া’।
এ দু’ পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে মা হাজেরা শিশুপুত্র ইসমাঈল ঁ-এর পানির জন্য ছোটাছুটি করেছিলেন।
ঠিক এ জায়গাতেই হজ্জ ও উমরা পালনকারীদেরকে দৌড়াতে হয়। শাব্দিক অর্থে দৌড়ানো হলেও পারিভাষিক অর্থে স্বাভাবিক গতিতে চলা।
শুধুমাত্র দুই সবুজ পিলার দ্বারা চিহ্নিত মধ্যবর্তী স্থানে সামান্য একটু দৌড়ের গতিতে চলতে হয়। তবে মেয়েরা দৌড়াবে না।

সাঈর হুকুম কী?
উঃ- সাঈর কাজটি ওয়াজিব। তবে কেউ কেউ এটা রুক্‌ন অর্থাৎ ফরয বলেছেন।

সাঈর শর্ত ও ওয়াজিবসমূহ কি কি?
উঃ- (১) প্রথমে তাওয়াফ এবং পরে সাঈ করা।
(২) ‘সাফা’ থেকে শুরু করা এবং ‘মারওয়া’য় গিয়ে শেষ করা।
(৩) ‘সাফা’ ও ‘মারওয়া’র মধ্যবর্তী পূর্ণ দূরত্ব অতিক্রম করা। একটু কম হলে চলবে না।
(৪) সাত চক্র পূর্ণ করা।
(৫) সাঈ করার স্থানেই সাঈ করতে হবে। এর পাশ দিয়ে করলে চলবে না।

সাঈর সুন্নাত কী কী?
উঃ- (ক) অযু অবস্থায় সাঈ করা ও সতর ঢাকা।
(খ) তাওয়াফ শেষে লম্বা সময় ব্যয় না করে সঙ্গে সঙ্গে সাঈ শুরু করা।
(গ) সাঈর এক চক্র শেষ হলে লম্বা সময় না থেমে পরবর্তী চক্র শুরু করা।
(ঘ) দু’টি সবুজ বাতির মধ্যবর্তী স্থানে পুরুষদের একটু দৌড়ানো।
(ঙ) প্রতি চক্রেই সাফা ও মারওয়া পাহাড় দু’টিতে আরোহণ করা।
(চ) সাফা ও মারওয়া পাহাড় এবং এর মধ্যবর্তী স্থানে যিক্‌র ও দোয়া করা।
(ছ) সক্ষম ব্যক্তির পায়ে হেঁটে সাঈ করা।

সাঈ কিভাবে শুরু ও শেষ করব তা ধারাবাহিকভাবে জানতে চাই?
উঃ- (১) তাওয়াফ শেষ করেই ‘সাফা’ পাহাড়ের দিকে রওয়ানা দেবেন। সাফাতে উঠার সময় নীচের দোয়াটি পড়বেন :
إن الصفا والمروة من شعائر الله (أَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللهُ بِه)
অর্থ : “অবশ্যই ‘সাফা’ এবং ‘মারওয়া’ হচ্ছে আল্লাহ তা’আলার নিদর্শনসমূহের অন্যতম।” আল্লাহ যেভাবে শুরু করেছেন আমিও সেভাবে শুরু করছি।
এ দোয়াটি এখানে ছাড়া আর কোথাও পড়বেন না। সাঈর প্রথম চক্রের শুরুতেই শুধুমাত্র পড়বেন। প্রতি চক্রে বারবার এটা পুনরাবৃত্তি করবেন না।

(২) এরপর যতটুকু সম্ভব সাফা পাহাড়ে উঠুন। একেবারে চূড়ায় আরোহণ করা জরুরী নয়। তারপর কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে হাত তুলে নীচের দোয়াটি পড়ুন :
اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ اللهُ أَكْبَرُ ু لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهচ্ لاَ شَرِيكَ لَهচ্ ু لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ু لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهচ্ لاَ شَرِيكَ لَـه، ু أَنْجَزَ وَعْدَه، ু وَنَصَرَ عَبْدَه، ু وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَه.
অর্থ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার। আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই। তিনি এক ও একক, তাঁর কোন শরীক নেই। আসমান যমীনের সার্বভৌম আধিপত্য একমাত্র তাঁরই। সকল প্রশংসা শুধু তাঁরই প্রাপ্য। তিনিই প্রাণ দেন এবং তিনিই আবার মৃত্যুবরণ করান। সবকিছুর উপরই তিনি অপ্রতিহত ক্ষমতার অধিকারী। তিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই। তিনি এক ও একক। তাঁর কোন শরীক নেই। যত ওয়াদা তাঁর আছে তা সবই তিনি পূরণ করেছেন। স্বীয় বান্দাকে তিনি সাহায্য করেছেন এবং একাই শত্রুদলকে পরাস্ত করেছেন। (আবূ দাউদ : ১৯০৫)
এ দোয়াটি তিনবার পড়ার পর দু’হাত উঠিয়ে যত পারেন দোয়া করুন, আরবীতে বা নিজের ভাষায় দুনিয়া ও আখেরাতের অসংখ্য কল্যাণ চাইতে থাকুন।

(৩) অতঃপর ‘সাফা’ থেকে নেমে ‘মারওয়া’র দিকে হাঁটতে থাকুন। আর আল্লাহ্‌র যিক্‌র ও দোয়া করতে থাকুন নিজের জন্য, পরিবার-পরিজনের জন্য এবং মুসলিম মিল্লাতের সবার জন্য।
যখন সবুজ চিহ্নিত স্থানে পৌঁছবেন সেখান থেকে পরবর্তী সবুজ চিহ্নিত স্থান পর্যন্ত পুরুষেরা যথাসাধ্য দৌড়াতে চেষ্টা করবেন। তবে কাউকে কষ্ট দেবেন না।
দ্বিতীয় সবুজ চিহ্নিত স্থানটি অতিক্রম করার পর আবার সাধারণভাবে হাঁটা শুরু করবেন। এভাবে হেঁটে মারওয়া পাহাড়ে পৌঁছে এর উঁচুতে আরোহণ করবেন।
অতঃপর কিবলামুখী হয়ে ‘সাফা’ পাহাড়ে যা যা করেছিলেন সেগুলো এখানেও করবেন। অর্থাৎ الله أكبر থেকে শুরু করে وَهَزَمَ الأَحْزَابَ وَحْدَهُ পর্যন্ত পুরাটা পড়া তিনবার পড়া, অতঃপর দো’আ করা।
‘সাফা’ থেকে ‘মারওয়া’য় আসার পর আপনার এক চক্র শেষ হল।

(৪) এবার আপনি ‘মারওয়া’ থেকে নেমে আবার ‘সাফা’র দিকে চলতে থাকুন। সবুজ চিহ্নিত দুই বাতির মধ্যবর্তী স্থানে সাধ্যমত আবার দৌড়াতে থাকুন। যখনি সবুজ চিহ্নিত স্থান অতিক্রম করে ফেলবেন
তখনি আবার সাধারণ গতিতে হাঁটতে থাকবেন। ‘সাফা’ পাহাড়ে পৌঁছে প্রথমবার যা যা পড়েছিলেন ও করেছিলেন এবারও তা এখানে পড়বেন ও করবেন। আবার মারওয়ায় গিয়েও তাই করবেন।
এভাবে প্রত্যেক চক্রেই এ নিয়ম পালন করে যাবেন। সাফা থেকে মারওয়ায় গেলে হয় এক চক্র, আবার মারওয়া থেকে সাফায় ফিরে এলে হয় আরেক চক্র। এভাবে ৭ চক্র পূর্ণ করবেন।

(৫) ‘মারওয়া’য় গিয়ে যখন ৭ চক্র পূর্ণ হবে তখন চুল কেটে আপনি হালাল হয়ে যাবেন। পুরুষেরা মাথা মুণ্ডন করবে অথবা সমগ্র মাথা থেকে চুল কেটে ছোট করে নেবে।
আর মহিলারা আঙ্গুলের উপরের গিরার সমপরিমাণ চুল কাটবে। চুল কাটার আরো বিস্তারিত নিয়ম দেখুন পরবর্তী অধ্যায়ে। চুল কাটা শেষে আপনি হালাল হয়ে গেলেন।
ইহরামের কাপড় খুলে অন্য কাপড় পরবেন। ইহরাম অবস্থায় যেসব কাজ আপনার জন্য নিষিদ্ধ ছিল এগুলো এখন বৈধ হয়ে গেল।

চুল কাটার হুকুম কী?

চুল কাটার হুকুম কী?
উঃ- চুলকাটা হজ্জ ও উমরা উভয় ইবাদতের ক্ষেত্রে ওয়াজিব।

পুরুষদের চুল কাটার নিয়ম ও ফযীলত
উঃ- (১) পুরা মাথা মুণ্ডন করবেন অথবা মাথার সব অংশ থেকে চুল ছোট করে কেটে ফেলবেন।
(২) চুল ছোট করে কাটার চেয়ে মাথা মুণ্ডন করার মধ্যে সাওয়াব বেশী। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা মুণ্ডনকারীদের জন্য তিনবার রহমত ও মাগফিরাতের দোয়া করেছেন (رحم الله المحلقين)। অপরদিকে যারা চুল খাট করে কেটেছেন তাদের জন্য মাত্র একবার উক্ত দোয়া করেছেন (…. المقصرين)।
(৩) মাথার কিছু অংশের চুল ছোট করে কাটলে যথেষ্ট হবে না, বরং সমগ্র মাথা থেকে চুল ছোট করে কাটা অত্যাবশ্যক।
মেয়েদের মাথা মুণ্ডনের বিধান নেই। তারা শুধু চুল ছোট করবে।

মহিলাদের চুল কি পরিমাণ কাটতে হবে?
উঃ- মহিলাদের জন্য মাথা মুণ্ডনের কোন বিধান নেই। তারা তাদের মাথার চার ভাগের একাংশ চুলের অগ্রভাগ থেকে আঙ্গুলের উপরের গিরার সমপরিমাণ (অর্থাৎ এক ইঞ্চির একটু কম) চুল কেটে দেবে। মেয়েরা এর চেয়ে বেশী পরিমাণ চুল কাটবে না।
لَيْسَ عَلَى النِّسَاءِ حَلْقٌ إِنَّمَا عَلَى النِّسَاءِ التَّقْصِيرُ

যাদের মাথায় টাক অর্থাৎ চুল নেই তাদের চুল কাটার নিয়ম কি?
উঃ- ব্লেড বা ক্ষুর দিয়ে সম্পূর্ণ মাথা কামিয়ে দিবে। চুলবিহীন মাথাও ব্লেড দিয়ে এভাবে মুণ্ডন করা হানাফী, মালেকী ও হাম্বলী মাযহাব মতে ওয়াজিব।

৮ই যিলহজ্জ তারিখের কাজ কী?

উঃ- ইহরাম বেঁধে মিনায় রওয়ানা হওয়া এবং সেখানেই রাত্রি যাপন করা।

হজ্জের ইহরাম কোথা থেকে বাঁধতে হয়?
উঃ- নিজ নিজ ঘর বা বাসস্থান থেকেই ইহরাম বাঁধবেন। মক্কায় অবস্থানকারীরাও নিজ নিজ ঘর থেকে ইহরাম বাঁধবেন। ইফরাদ ও কেরান হাজীগণ যারা আগে থেকেই ইহরাম পরা অবস্থায় আছেন, তাঁরা ইহরাম অবস্থায়ই থাকবেন। ইহরামের পোষাক পরার পর হজ্জের নিয়ত করে ফেলবেন।

কিভাবে হজ্জের নিয়ত করব? নিয়তের পর কি পড়তে হবে?

উঃ- হজ্জের জন্য মনে মনে নিয়ত করবেন এবং মুখেও বলবেন لَبَّيْكَ حَجًّا অথবা বলবেন اَللَّهُمَّ لَبَّيْكَ حَجًّا শেষ হলে তালবিয়াহ পড়তে থাকবেন। তালবিয়াহ হল :
لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ ু لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ ুإِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ ু لاَ شَرِيكَ لَكَ
অতঃপর দলে দলে মিনার উদ্দেশ্যে চলতে থাকবেন গাড়ীতে হোক বা পায়ে হেঁটে হোক।

হজ্জের ইহরাম কোথা থেকে বাঁধতে হয়?
উঃ- নিজ নিজ ঘর বা বাসস্থান থেকেই ইহরাম বাঁধবেন। মক্কায় অবস্থানকারীরাও নিজ নিজ ঘর থেকে ইহরাম বাঁধবেন। ইফরাদ ও কেরান হাজীগণ যারা আগে থেকেই ইহরাম পরা অবস্থায় আছেন, তাঁরা ইহরাম অবস্থায়ই থাকবেন। ইহরামের পোষাক পরার পর হজ্জের নিয়ত করে ফেলবেন।

আরাফার মাঠে অবস্থানের হুকুম কি?

উঃ- এটা হজ্জের রুকন। এটা বাতিল হয়ে গেলে হজ্জ বাতিল হয়ে যাবে।

মুযদালিফায় রাত্রিযাপনের হুকুম কি?

মুযদালিফায় রাত্রিযাপনের হুকুম
উঃ- এটা ওয়াজিব। এটা করতেই হবে।

মুযদালিফায় কখন মাগরিব ও এশা পড়ব এবং কিভাবে পড়ব?
উঃ-(১) বিলম্ব হলেও মুযদালিফায় পৌঁছে মাগরিব-এশা পড়তে হবে, এর আগে নয়। তবে এ দুই নামাযকে বিলম্ব করতে করতে অর্ধ রাত্রির পরে নিয়ে যাওয়া জায়েয হবে না। তবে ওযর থাকলে জায়েয।
(২) তারতীব ঠিক রেখে সালাত আদায় করবেন। অর্থাৎ প্রথম তিন রাক’আত মাগরিবের ফরজ এবং এর সাথে সাথে দুই রাক’আত এশার ফরজ আদায় করবেন, বিত্‌র পড়বেন, ফজরের সুন্নাতও বাদ দেবেন না।
(৩) এ দুই ওয়াক্ত সালাতের জন্য মাত্র একবার আযান দেবেন। কিন্তু ইকামত দুই বারই দিতে হবে।
(৪) কোন নফল-সুন্নাত নামায নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযদালিফায় পড়েননি। আপনিও পড়বেন না।
(৫) সালাত আদায় শেষ হওয়া মাত্র ঘুমিয়ে পড়বেন যাতে পরবর্তী দিনের কার্যাবলী সক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা যায়।
(৬) ঐ দিনের ফজর অন্ধকার থাকতেই আউয়াল ওয়াক্তে পড়ে নেবেন। দুই রাকাত ফরজের সাথে দুই রাকাত সুন্নতও পড়বেন। এরপর “মাশআরুল হারাম”-এর নিকটবর্তী কিবলামুখী দাঁড়িয়ে হাত উঠিয়ে দোয়া-মুনাজাত করতে থাকবেন।
এখানে আসতে না পারলে অসুবিধা নেই। মুযদালিফার যে কোন স্থানে দাঁড়িয়ে দোয়া করতে পারবেন।

১০ই যিলহজ্জ অর্থাৎ ঈদের দিনে আমাদের কী কী কাজ আছে?

উঃ- নিম্নবর্ণিত ৪টি কাজ :
(১) কংকর নিক্ষেপ [শুধুমাত্র বড় জামারায়], (২) কুরবানী করা, (৩) চুল কাটা (৪) তাওয়াফ করা অর্থাৎ তাওয়াফুল ইফাদা বা ফরয তাওয়াফ। এ দিনে না পারলে পরবর্তী ২ দিনের মধ্যে বা অন্য যে কোন সময় করলেও চলবে।

"Looking to travel for Hajj 2020 or 2021?"
Hajj Book Now